যোগাযোগ  কৌশল  প্রশিক্ষণ

আমাদের সম্পর্কে

আর্টিকেল নাইনটিন বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়াঃ

আর্টিকেল নাইনটিন যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, যেটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কাজ করছে। এটি ১৯৮৭ সালে যুক্তরাজ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সংস্থাটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মুক্ত চিন্তা নিশ্চিত করণের ক্ষেত্রে কাজ করে। আর্টিকেল নাইনটিন বাংলাদেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, তথ্য অধিকারসহ বিভিন্ন মানবাধিকার ইস্যুতে কাজ করছে। বাংলাদেশে সংস্থাটি বেশকিছু প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, যার ফলাফল জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও প্রশংসিত হয়েছে।

আর্টিকেল নাইনটিন তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দেশব্যাপি সাংবাদিক, অনলাইন যোগাযোগমাধ্যম কর্মী,সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, গবেষণা, আলোচনাসভা ইত্যাদি বাস্তবায়ন করে থাকে। পাশাপাশি সরকার কর্তৃক গৃহীত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন নীতিমালা, আইন ও আইনের সংস্কার ও বাস্তবায়নের জন্য অধিপরামর্শ (এ্যাডভোকেসী) কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে থাকে। আর্টিকেল নাইনটিন আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করে তার ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের জন্য নতুন ধারণা অর্জন করে থাকে, যা বাংলাদেশে কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহায়ক ভুমিকা পালন করছে।

আর্টিকেল নাইনটিন সরকার ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সনদ ও উন্নয়ন এজেন্ডা বাস্তবায়নের সহযোগি হিসেবেও কাজ করে থাকে। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচেছদে বর্ণিত বাক স্বাধীনতার অধিকার সুরক্ষা, রূপকল্প ২০২১ এর ১৭ টি লক্ষ্যের মধ্যে জবাবদিহিতা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন, রূপকল্প ২০২১ এ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বার যে পরিকল্পনা করা হয়েছে তা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে আর্টিকেল নাইনটিন তৎপর রয়েছে। বিশেষত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ১৬ অনুযায়ি শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী

প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও উল্লেখযোগ্যভাবে সকল প্রকার সহিংসতার মাত্রা কমানোর জন্য আর্টিকেল নাইনটিন প্রকল্প পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করে থাকে। পাশাপাশি সরকার ও সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনা এবং নিরাপত্তাহীনতা দূর করার ক্ষেত্রেও সংস্থাটি কাজ করে। জাতিসংঘ প্রণীত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়ক কর্মপরিকল্পনার আলোকে বাংলাদেশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় আর্টিকেল নাইনটিন বাংলাদেশ সরকারের কর্মপরিকল্পনা যেমন সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্ট, কল্যাণ তহবিল ইত্যাদি বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

ডি ডব্লিউ একাডেমিঃ

ডয়েচে ভেলের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম উন্নয়ন কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে ডি ডব্লিউ একাডেমি। জার্মান রাষ্ট্রীয় সরকারের অর্থনৈতিক সহযোগীতা ও উন্নয়ন মন্ত্রনালয়ের কৌশলগত অংশীদার হিসেবে ডি ডব্লিউ একডেমি বিভিন্ন গণমাধ্যম উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে থাকে, যার মাধ্যমে মতামত প্রকাশের মানবাধিকার সুসংহত হয় ও তথ্যের অবাধ  উৎসাহিত হয়। বিশ্বের ৫০ টিরও বেশি দেশে ডি ডব্লিউ একাডেমি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে, যার মধ্যে জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় ও ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের প্রকল্পও রয়েছে।

কপিরাইট: আর্টিকেল নাইনটিন বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়া এবং ডি ডব্লিউ একাডেমি
X